দক্ষতা অর্জন বেকারত্বের অবসান, এসএমই উদ্যোক্তার আত্মপ্রকাশ

বাংলাদেশের প্রথম এসএমই ডিজিটাল ইনস্টিটিউট এ আপনাকে স্বাগতম

বাংলাদেশের শীর্ষ স্থানীয় এবং প্রতিষ্ঠিত প্রশিক্ষকগণ দ্বারা ঘরে বসে অনলাইনে এসএমই বিষয়ে শেখার প্ল্যাটফর্ম ঐক্য এসএমই ডিজিটাল ইনস্টিটিউট। বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে, প্রশিক্ষকদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে তাদের ডিজাইনকৃত এসএমই ভিওিক কারিগড়ি কোর্সসমূহ শিখুন এবং দক্ষতা অর্জন করুন। কোর্স গুলোর  ভিডিও লেকচার, হোম ওয়ার্ক অনুশীলন, কোর্স কুইজ এবং এসএমই লার্নারস কমিউনিটিতে যে কোন সমস্যা সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান দেয়া হবে। ঐক্য এসএমই ডিজিটাল ইনস্টিটিউট আপনাকে নিশ্চিত করবে –

• অনলাইনে প্রশিক্ষণ
• প্রতিটি কোর্সর রেজিস্ট্রেশন ফি ৫০ টাকা কিন্তু দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে সকল কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রী। 
• একটি কোর্সের মেয়াদকাল এক মাস।
• কোর্স শেষে পরিক্ষার মাধ্যমে সার্টিফিকেট প্রদান।

oikko sme digital institute

জনপ্রিয় কোর্সসমূহ

সক্ষমতা অর্জনের কোর্স সমূহ যা আমাদের দেশের সফল উদ্যোক্তাদের দ্বারা সরাসরি পরিচালিত হবে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে আপনি অংশগ্রহন করতে পারেন যে কোন কোর্সে। আসুন দেখে নেয়া যাক এক সাথে -

[ld_course_list course_tag=”running”]

যে কোর্স গুলি পরবর্তীতে শেখানো হবে

যুগোপযোগী এবং বাস্তবধর্মী আরো অনেক কোর্স ভবিষ্যতে আমাদের অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত করা হবে, আশা করছি কোর্সগুলো আপনাদের দক্ষতা অর্জনে আরো বেশি সহায়ক হবে। চোখ রাখুন ঐক্য এসএমই ডিজিটাল ইনস্টিটিউটে।

[ld_course_list course_tag=”upcoming”]

সফল উদ্যোক্তাদের কাছে শিখুন

সফল উদ্যোক্তারা তাদের দক্ষতা ও মেধা বিনিময় করবেন আপনাদের সাথে। সরাসরি শিখুন তাদের কাছ থেকেই।

সুলতানা পপি

সুলতানা পপি, সফল উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক

সুলতানা পপি – তাকে বলা হয় উদ্যোক্তাদের উদ্যোক্তা। তার হাত ধরে উদ্যোক্তা হয়েছেন বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য মানুষ। বাগের হাটের মেয়ে সুলতানা পপি। বাবা ঢাকাতে কর্মজীবনে থাকাকালীন এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ঢাকা আসেন পপি । এরপর পপি যোগ দিলেন ফ্যামিলি প্ল্যানিং এর ফিল্ড সুপারভাইজার হিসেবে একটি কাজে । অনেক কিছু শিখলেন পপি সেই সময়টিতে। নারীরা অনেক নির্যাতিত হয়, তাদেরকে অনেক পিছিয়ে রাখা হয় - এটা দেখলেন পপি ফিল্ডে কাজ করতে গিয়ে। পপির মনে অনেক নাড়া দিয়ে যায় ব্যাপারটি।

পরবর্তীতে পাঁচ বছর কাজ করলেন আড়ং-এ একজন বিক্রয় কর্মী হিসেবে। পপি নানান পণ্যের প্রস্তুতকারকদের তৈরি পণ্য দেখে ভীষণ উৎসাহিত হন। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে করতে যুব-উন্নয়ন অধিদপ্তরে ব্লক এবং বাটিকের ট্রেনিং করলেন পপি। নিজে শিখে ভাবলেন এবং সিদ্ধান্ত নিলেন শেখাবেন। চাকরির পাশাপাশি অফিস থেকে ফিরে একজন দুজন করে শিখতে শুরু করলো পপির কাছে।

মাহমুদা খাতুন, সফল উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক

মাহমুদা খাতুনের কলেজ জীবন থেকে হস্তশিল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণের প্রতি আগ্রহ ছিল। সফল উদ্যোক্তা মাহমুদা খাতুনের জীবনের গল্প শুনলে সাধারণ একজন নারীর জীবন-যুদ্ধের সম্পর্কে জানা যায়। যিনি কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নিজের জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছেন এবং নিজেকে একজন স্বনির্ভর ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। রাজধানী ঢাকা শহরের মত স্থানে মাহমুদা খাতুন নিজেকে প্রশিক্ষণ এবং সেলাই ও হস্তশিল্প ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি সমাজের অসহায় নারী পুরুষদের কর্মসংস্থানে কাজ করে যাচ্ছেন।

জীবনের শুরুতে প্রশিক্ষণের হাতেখড়ি হয় যুব উন্নয়নে। প্রথম প্রথম ঘরে বসেই প্রতিবেশীদের টুকটাক সেলাইয়ের কাজ করে অর্থ উপার্জন শুরু করতেন। কিন্তু প্রতিবেশীদের কাছ থেকে দিনদিন কাজের অনুরোধ তাকে নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠার ব্যপারে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। এ পর্যায়ে ১৯৯৯ সালের দিকে তিনি ঘরে বসেই বাড়ির আশেপাশের মহিলাদের অর্থের বিনিময়ে ব্লক-বাটিক, প্রিণ্টিং ও সেলাইয়ের কাজের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। পরর্তীতে মিরপুরের কাফরুলে একটি ঘর ভাড়া করে তার ছোট্ট একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। তখন থেকেই দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণের প্রতি মানুষকে আগ্রহী করে তুলেন সফল উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক মাহমুদা খাতুন।

মাহমুদা খাতুন
রিমা জুলফিকার

রিমা জুলফিকার , সফল উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক

শিক্ষা জীবনে রিমা জুলফিকার গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেন এবং দেশে-বিদেশ থেকে পর্যটন ও ফুড বেভারেজে প্রশিক্ষণসহ ঢাকা ইউনিভার্সিটির অধীনে বিজনেস ম্যানেজমেন্টর উপর ডিপ্লোমা করেন। ১৯৯০ সালে ১০০ টির অধিক বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান 'গৃহ সুখন' প্রতিষ্ঠিত করেন, যার শ্লোগান হল - 'প্রশিক্ষণ নিন আয় করুন'। প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য বিষয় হল -বিভিন্ন প্রকার রান্না, ফুড প্রসেসিং, হস্তশিল্প, ড্রেস মেকিং, টেইলারিং, ফ্যাশন ডিজাইন, বিউটিফিকেশন সহ ১০০ টির অধিক বিষয়।

রিমা জুলফিকার নারী উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে রান্না, হস্তশিল্প ও বিউটিফিকিশনের উপর দীর্ঘদিন ধরে লিখালিখি ও বিভিন্ন প্রোগ্রাম করে আসছেন। রাঁধুনি রান্না প্রতিযোগিতা, রূপচাঁদা সেরা রন্ধনশিল্পী প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি 'নেসলে ঝটপট রান্না', ‘রাঁধুনি রান্না এখন খেলা','ডিপ্লোমা গুঁড়ো দুধ মিষ্টি লড়াই 'য়ের সাথে কাজ করেন। World vision, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, যুব উন্নয়ন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, ইউরোপিয়ার ইউনিয়ন-এর Swiss Contact – এর skillful প্রজেক্ট ধানমন্ডি, কামরাঙ্গীর চর ও রায়ের বাজারে ট্রেনিংয়ের সঙ্গে জড়িত।

তাহমিনা আহমেদ বানী, সফল উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক

“এপ্লাইড আর্ট” বিষয়ে হোম ইকোনোমিক কলেজে প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করবার সময় বিয়ে হয়ে যায় তাহমিনা আহমেদ বানীর। আমি নিজে কিছু একটা করবো- এ প্রত্যয় নিয়ে ,এক মূহুর্ত বসে থাকতেন না বানী। নিজে কিছু করতে সারাক্ষণ চেষ্টা করতেন এবং তা থেকে কিভাবে উপার্জন করে সাবলম্বী হওয়া যায় তাই ভাবতেন।

১৯৯৬ সালে কোল জুড়ে আসে সেমন্তী। মেয়ের প্রথম জন্মদিনে একটি কেক কিনে নিয়ে আসলেন বানী। খুব সাদাসিধে একটি কেকের সাথে একটা হামটিডামটি পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দিলেন বানী। তারপর ধীরে ধীরে শুরু করলেন কেক বানানো শেখা। সিদ্দিকা কবির’স রেসিপিতে কেক বানানো শিখে নিলেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন একদিন দেখলেন ডল কেক বানানো। খুব দ্রুত কেক বানানো শিখে নিতে থাকলেন বানী।

কেকের সাথে পুতুল দিয়ে ডিজাইন করা শুরু করলেন বানী নিজেই। পরিবারের, বন্ধুদের যেকোন অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে নিজের বানানো কেক বানিয়ে নিয়ে যেতেন। একটি ফেসবুক পেজ খুললেন ”বানী’স ক্রিয়েশন”।

তাহমিনা আহমেদ বানী
শাহিদা পারভিন

শাহিদা পারভিন, সফল উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক

১৯৯৯ সালে মাস্টার্সে পড়াকালীন সময়ে বাসাবোতে হস্ত শিল্প ঘর-এ ৩০ জন কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করেন শাহিদা পারভীন। পাশাপাশি একটি নারী সমিতি গঠন করে বেশ কিছু নারীকে নিয়ে ‘আট আনা দিয়ে নেটের ব্যাগ তৈরি থেকে শুরু করে সালোয়ার কামিজ তৈরি, সেই থেকে শুরু।

২০১১ সাল, ব্যাংকে জমা ছিল মাত্র ৪০ হাজার টাকা। সঞ্চিত সেই আমানত ভেঙ্গে যাত্রা শুরু করলেন শাহিদা পারভীন। ভাবলেন, ডাইভারসিফাইড জুট প্রোডাক্ট নিয়ে সারা বাংলাদেশ এবং বিশ্বকে উপহার দিবেন নতুন এক ব্যবসায়িক ভুবন।মাত্র ২ জন কর্মী নিয়ে বাসা সাজানো বা অফিস সাজানো, ডেকোর, শো-পিস, কর্পোরেট গিফট আইটেম, ৮টি আইটেমের কাজ শুরু করলেন, সাড়াও মিললো ব্যাপক। লুবনান, ইনফিনিটি, কম দাম এবং ভীষণ রুচিশীল পণ্য, হাউজ, অফিস ডেকোর, শো পিস, প্রথম বছরেই ব্যবসায় বাজিমাত।

২০১১ সালে ৫ লক্ষ টাকার একটি অর্ডার পেলেন, এই অর্ডার উদ্যোক্তাকে জানান দিলো স্বপ্নের পথে হেটে যাবার কথা এবং সফলতার সিঁড়ি ছোঁয়ার কথা। ২০১২-২০১৩ সালে বড়বড় কিছু অর্ডার উদ্যোক্তাকে পৌঁছে দেয় অফিসিয়াল লেজারে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার সেলস রেকর্ড বুকে।

আবিদা সুলতানা, সফল উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক

চাকরি করতেন একটি বেসরকারী ব্যাংকে। কিন্তু বিয়ে, সংসার এবং সন্তান সামলিয়ে, সবকিছু মিলিয়ে চাকরি ছাড়তে হয় তাকে।ছোটবেলা থেকেই সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি প্রচণ্ড ঝোঁক ছিলো আবিদা সুলতানার। সেই অনুপ্রেরনা থেকেই একটি পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করে প্রথম হন তিনি। সেই প্রাপ্তিটাকেই লাগিয়ে ভাবলেন ঘরে বসেই এমন কিছু করবেন যাতে তিনি তার পরিবারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে পারেন। তখন মাত্র ৫ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে অনলাইন পেইজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ‘পিঠার আড্ডা’।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাহারী রকমের পিঠা, হলুদের গহনা, শাড়ির ডিজাইন, ফুড কার্ভিং এসবের অর্ডার নিতেন অনলাইনে। নিজ উদ্দেগে গড়ে তুলেছেন দিনাজপুরে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম। নিজের সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগালেন। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের যা কাজ সব নিজেই করেছেন। নিজের বিয়ের গায়ে হলুদে প্রথম ফল কেটে কার্ভিংয়ে তার কাজের যাএা শুরু করেন। সেই অনুপ্রেরণায় দিনাজপুরে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ‘ব্রাইডাল ক্রিয়েশন ওয়েডিং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এন্ড ক্যাটারিং সার্ভিস’এর কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। কাজগুলো দেখে সকলেই তার প্রশংসা করেন সবাই। স্বীকৃতি স্বরুপ ২০১৩-১৪ ঢাকা ব্শ্বিবিদ্যালয় পিঠা উৎসবে পেয়েছেন ঢাবিশ্বাস পুরুষ্কার।

আবিদা সুলতানা

রেজবিন হাফিজ, সফল উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষক

তিনি শুধু নিজই উদ্যোক্তা হননি পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরী করছেনে বেশ কিছু উদ্যোক্তাও। শিক্ষকতা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও সেই বাঁধাধরা পেশা তাকে খুব বেশিদিন আটকে রাখতে পারেনি। এখন তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। এসএমই ফাউন্ডেশন আয়োজিত জাতীয় এসএমই মেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ”বর্ষসেরা মাইক্রো উদ্যোক্তা ২০২০”পুরস্কার পেয়েছেন রেজবিন বেগম।

২০১২ সালে পিপলস নাইফ ইঞ্জিনিয়ারিং নামে চামড়া খাতে ব্যবহৃত ডাইসের ( কাটিং নাইফ) কারখানা গড়ে তুলেন।নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “পিপলস ফুট ওয়্যার এন্ড লেদার গুডস” আর্ন্তজাতিক বাজারে পৌঁছেছে । দেশে এসএমই উদ্যোক্তা তৈরী ও চামড়াজাত পন্য শিল্পের জন্য দক্ষ জনবল তৈরী, সর্বোপরি জাতীয় উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত করার মাধ্যমে রেজবিন হাফিজ একজন সফল অনুকরনীয় উদ্যোক্তা।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার কাতলামাড়ি খা গ্রামে ১৯৮২ সালে জন্ম নেয়া রেজবিন হাফিজ সফলতা অর্জনে পাড়ি দিয়েছেন দীর্ঘ পথ । চাকুরীজীবি বাবা মো: জুলফিকার খান এবং পললী চিকিৎসক মা মোছাঃ মমতাজ খানমের দ্বিত্বীয় মেয়ে রেজবিন । ছোট বেলা থেকেই ছিলেন দুরন্ত ও মেধাবী ।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে মাস্টার্স শেষ করেন, তারপর স্টামর্ফোড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং ইষ্ট ওয়েষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় লেদার ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারিং বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করে বেপজা পাবলিক স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন রেজবিন। এরই মাঝে কেটে যায় শিক্ষকতায় দশ বছর।

উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে প্রশিক্ষণ নিন

চাকুরী ও পড়াশোনার পাশাপাশি আপনিও হতে পারবেন একজন সফল উদ্যোক্তা। নিজের ইচ্ছা এবং মনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারবেন প্রশিক্ষণ। সঠিক কর্ম-পরিকল্পনা এবং দিকনির্দেশনাই হতে পারে আপনার সাফল্যের সিঁড়ি। আজ যে উদ্যোক্তারা প্রান্তিক পর্যায় থেকে অক্লান্ত সংগ্রাম, পরিশ্রম করে সফলতার পথে হাটছেন, সৃষ্টি করছেন অনেক মানুষের কর্মসংস্থান, জাগিয়ে তুলেছেন প্রত্যন্ত জনপদ, ভূমিকা রাখছেন শক্তিশালী একটি অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে, সরাসরি তাদের তত্ত্বাবধানে আপনিও সৃষ্টি করুন আপনার সফল উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প। সফল উদ্যোক্তাদের সাথে আপনিও হয়ে উঠুন একজন সফল উদ্যোক্তা। আপনার হাতেই যখন আছে স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ তখন বাহিরে প্রশিক্ষণের কোনো প্রয়োজন নেই। ঘরে বসেই আপনি নিতে পারবেন আপনার প্রশিক্ষণটি। প্রশিক্ষণ হোক এখন স্মার্টভাবে। আপনার স্বপ্নকে পূরণ করবার লক্ষ্যেই ঐক্য এসএমই ডিজিটাল ইনস্টিটিউট।